Banner Advertiser

Wednesday, July 4, 2012

Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!দু 80 ;্নীতি মানব 494 ;ধিকার ইস্য&# 24 97;তে সোচ্চার & #2438;ন্তর্জাতি ক মহল

That is bunch of BS. That government was a puppet government of military. Any "Dehkhi" could have been installed and called themselves as Awami Leaguers. The question is who protected those assassins? I go by the motives and consequences.
"All great truths begin as blasphemies." GBS

From: Mohiuddin Anwar <>
Sent: Wednesday, July 4, 2012 6:44 PM
Subject: Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!&#65279;&#2470;&#2497; 80 ;&#2509;&#2472;&#2496;&#2468;&#2495; &#2478;&#2494;&#2472;&#2476; 494 ;&#2471;&#2495;&#2453;&#2494;&#2480; &#2439;&#2488;&#2509;&#2479;&# 24 97;&#2468;&#2503; &#2488;&#2507;&#2458;&#2509;&#2458;&#2494;&#2480; & #2438;&#2472;&#2509;&#2468;&#2480;&#2509;&#2460;&#2494;&#2468;&#2495; &#2453; &#2478;&#2489;&#2482;

After the assasination of Mujib the government was headed by other awami Leaguers not a single non-Awami Leaguers represented  that Mushtaque government.
Mujib killing was Awami Leagues inside job well organized by disgrunled angry soldiers , and senior Amery officers didn't protest the killing led by Gen. Shafiullah.

---------- Original Message ----------
From: Shah Deeldar <>
To: Mohiuddin Anwar <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>
Cc: "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>
Subject: Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!&#65279;&#2470;&#2497;&#24 80;&#2509;&#2472;&#2496;&#2468;&#2495; &#2478;&#2494;&#2472;&#2476;&#2 494;&#2471;&#2495;&#2453;&#2494;&#2480; &#2439;&#2488;&#2509;&#2479;&# 2497;&#2468;&#2503; &#2488;&#2507;&#2458;&#2509;&#2458;&#2494;&#2480;  &#2438;&#2472;&#2509;&#2468;&#2480;&#2509;&#2460;&#2494;&#2468;&#2495; &#2453; &#2478;&#2489;&#2482;
Date: Wed, 4 Jul 2012 11:51:12 -0700 (PDT)

Rokhi-bhahini did not kill three million people? AL did not kill father of a nation with his whole family and then protected the assassins. What does that tell you? Awami Leaguers are no angels but you people are far more worse. Talking the talk is not enough, bro, please start walking the walk!
"All great truths begin as blasphemies." GBS

From: Mohiuddin Anwar <>
Sent: Wednesday, July 4, 2012 1:23 PM
Subject: Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!&#65279;&#2470;&#2497;&#24 80;&#2509;&#2472;&#2496;&#2468;&#2495; &#2478;&#2494;&#2472;&#2476;&#2 494;&#2471;&#2495;&#2453;&#2494;&#2480; &#2439;&#2488;&#2509;&#2479;&# 2497;&#2468;&#2503; &#2488;&#2507;&#2458;&#2509;&#2458;&#2494;&#2480; &#2438;&#2472;&#2509;&#2468;&#2480;&#2509;&#2460;&#2494;&#2468;&#2495; &#2453; &#2478;&#2489;&#2482;

Why you bringing all wrongdoings of BNP only, leaving Awami Zaheliot rule untouched? Why overlooking Awami misrule ?
Why not mentioning who slaughter multi party democratic system in Bangladesh ? Who killed thousand's  of political opponenents by notorious
Rokkhibahini ? Who withdrawn all cases against Awami Chor/Dalaks ? Did they became Angels after this withdrawals ?
Corrupts are corrupts, Awami corrupts should be tried in comimg days, their Amalnama will come out shortly, Chatro Leagues tender business
and other Awami leaguers commissioin business episods will become available as soon this regime go home in coming days
INSHALLAH, just wait for that days to come.

---------- Original Message ----------
From: Shah Deeldar <>
To: "Capt. Farid Hossain" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  shafiq chottola <>, dipumoni <>,  "" <>,  "" <>
Cc: farida <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>,  CHOTTOLA <>,  sonar bangladesh <>,  "" <>,  "" <>,  "" <>
Subject: Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!দুর্নীতি মানবাধিকার ইস্যুতে সোচ্চার আন্তর্জাতিক মহল
Date: Wed, 4 Jul 2012 07:23:42 -0700 (PDT)

Sounds great to me! But you do not want be selective? Right? What about people, who committed genocide during 1971? Should not those animals be prosecuted before they are allowed to commit more crimes? Did not you people protect people who killed father of the nation? Did not you people torment minorities when BNP won the election last time? Did not Tareque and Arafat plunder Bangladesh during last BNP tenure? Was it a clean regime of our time? Bro, you people are suffering from specific amnesia. You should not worry too much about Padma bridge issue. The project will be funded soon or later by others or by even WB. That loan is basically a bridge (temporary) loan and WB have been trying to exert maximum control for the money because Bangladesh does not have any international clout. It is more than a loan, the least that I can say about it. So, chill out and sanitize your own house! You are not the true champions of human rights, democracy and transparent government. You are pure jokers of our time!
"All great truths begin as blasphemies." GBS

From: Capt. Farid Hossain <>
To:;;;;;; shafiq chottola <>; dipumoni <>;;
Cc: farida <>;;;; CHOTTOLA <>; sonar bangladesh <>
Sent: Wednesday, July 4, 2012 12:33 AM
Subject: RE: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!দুর্নীতি মানবাধিকার ইস্যুতে সোচ্চার আন্তর্জাতিক মহল

দুর্নীতি মানবাধিকার ইস্যুতে সোচ্চার আন্তর্জাতিক মহল

বশীর আহমেদ
বাংলাদেশের দুর্নীতি, মানবাধিকার পরিস্থিতি, সুশাসনসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সোচ্চার আন্তর্জাতিক মহল। তবে এটাকে কোনো পাত্তাই দিচ্ছে না সরকার। সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্যাতন, গণমাধ্যমের ওপর হামলা, বিচার বিভাগসহ রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে নজিরবিহীন দলীয়করণের বিষয়টি এখন নিয়মিত আলোচিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে। অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল থেকে শুরু করে বিশ্বব্যাংক, জাপান থেকে শুরু করে যুক্তরাষ্ট্র, সব প্রভাবশালী দেশ এবং দাতা সংস্থা বাংলাদেশের এসব ইস্যুতে, বিশেষ করে দুর্নীতির ব্যাপারে কয়েক মাস ধরে তাদের উদ্বেগের কথা প্রকাশ্যেই জানিয়ে আসছে। গত ২৯ জুন দুর্নীতির দায়ে বহুল আলোচিত পদ্মা সেতু নির্মাণের ঋণচুক্তি বাতিল করেছে বিশ্বব্যাংক, যা এক নজিরবিহীন ঘটনা। সব মিলিয়ে আন্তর্জাতিক বিশ্বে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি এখন রীতিমত কলুষিত। তবে অবাক করার বিষয় হলো, সরকার এই আন্তর্জাতিক উদ্বেগ এবং সমালোচনাকে আমলেই নিচ্ছে না। দুর্নীতি প্রতিরোধ, মানবাধিকার পরিস্থিতির উন্নয়ন বা সুশাসন নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ নেয়ার পরিবর্তে উল্টো যারা এসব ইস্যুতে সোচ্চার, তাদের একহাত নিচ্ছে সরকার। সরকারের এই বেপরোয়া নীতির কারণে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একা হয়ে পড়ছে বাংলাদেশ।
বাংলাদেশে এখন সবচেয়ে আলোচিত বিষয় হচ্ছে সরকারের সীমাহীন দুর্নীতি। সরকারের দুর্নীতির বিষয়টি বেশ আগে থেকেই আলোচিত হচ্ছে। সর্বশেষ বিশ্বব্যাংকের ঋণ চুক্তি বাতিলের পর এক্ষেত্রে নতুন মাত্রা যোগ হয়েছে।
পদ্মা সেতুর দুর্নীতির বিষয়টি অন্তত এক বছর আগে সরকারের নজরে আনে বিশ্বব্যাংক। বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দায়ীদের বিচারের মুখোমুখি করার দাবি জানানো হয়। দুর্নীতির এই অভিযোগের বিষয়টি সুরাহা না হওয়া পর্যন্ত ঋণ চুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নেয় বিশ্বব্যাংক। দুর্নীতির এই গুরুতর অভিযোগকে তেমন কোনো গুরুত্ব না দিয়ে বিষয়টিকে এক ধরনের ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করে সরকার। সেই চেষ্টার অংশ হিসেবে সরকার তার আজ্ঞাবহ দুর্নীতি দমন কমিশনকে দিয়ে দুর্নীতি হয়নি মর্মে সার্টিফিকেট নিয়ে নিয়েছে। তবে বিশ্বব্যাংক তার নিজস্ব তদন্ত অব্যাহত রাখে এবং তদন্তে দুর্নীতির সুস্পষ্ট প্রমাণ মেলে। এই দুর্নীতির প্রমাণ বিশ্বব্যাংকের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে সরবরাহ করা হয়। এরপরও সরকারের পক্ষ থেকে এই দুর্নীতির বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপ নেয়া হয়নি। অবশেষে বাধ্য হয়েই ঋণ চুক্তি বাতিলের মতো কঠিন সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্বব্যাংক। ঋণ চুক্তি বাতিলের সিদ্ধান্ত জানিয়ে বিশ্বব্যাংক বলেছে, সরকার দুর্নীতি তদন্তে কোনো সহযোগিতা করেনি। সরকারের পদস্থ কর্মকর্তা, কানাডার পরামর্শক প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি ব্যক্তিদের মধ্যে যোগসাজশে যে দুর্নীতি হয়েছে, তার প্রমাণ বিশ্বব্যাংকের কাছে আছে। দুর্নীতির তথ্য প্রধানমন্ত্রী, অর্থমন্ত্রী এবং দুর্নীতি দমন কমিশনকে দেয়া হয়েছিল।
দুর্নীতির এত বড় কেলেঙ্কারির পর অর্থমন্ত্রী ড. আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, কোনো দুর্নীতি হয়নি। অন্যদিকে এখানে রহস্যের গন্ধ খুঁজে বেড়াচ্ছে যোগাযোগমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
বিশ্বব্যাংকের এ সিদ্ধান্তের পর এখন অন্য দাতারাও মুখ ফিরিয়ে নিচ্ছে। এডিবিও বিশ্বব্যাংকের পথ ধরে পদ্মা সেতু প্রকল্পে বিনিয়োগ না করার ঘোষণা দিয়েছে। গত ৩ মে ঢাকায় জাপানের উপ-প্রধানমন্ত্রী কাতসুয়া ওকাদা। তিনি জানান, দুর্নীতির ব্যাপারে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের সুরাহা না হলে পদ্মা সেতু প্রকল্পে জাপান কোনো বিনিয়োগ করবে না। শুধু পদ্মা সেতু নয়, বাংলাদেশে দুর্নীতি এখন সর্বব্যাপী। মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন ঢাকা সফরে এসে খোলাখুলি মন্তব্য করে গেছেন। তিনি বলেছেন, দুর্নীতির কারণে বাংলাদেশ বিশেষায়িত মার্কিন সহায়তা তহবিল মিলেনিয়াম চ্যালেঞ্জ অ্যাকাউন্টে (এমসিএ) অন্তর্ভুক্ত হতে পারছে না। বাংলাদেশকে এই সহায়তা পেতে হলে দুর্নীতির বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নিয়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করতে হবে। মার্কিন রাষ্ট্রদূত ড্যান মজীনা ঢাকায় দায়িত্ব নেয়ার আগে সিনেট কমিটির শুনানিতে দুর্নীতিকে বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে উল্লেখ করেন। সরকারের দুর্নীতি নিয়ে হিলারির ওই বক্তব্য সম্পর্কে তখন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেছিলেন, হিলারির বক্তব্যের কারণে আমরা বিব্রত নই।
দুর্নীতির ব্যাপারে বিশ্বব্যাংক বা যুক্তরাষ্ট্র শুধু নয়, ব্রিটেনসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের সদস্য দেশগুলো বাংলাদেশের দুর্নীতির ব্যাপারে সোচ্চার। একাধিক সংবাদ সম্মেলনে এসব দেশের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, তাদের অর্থায়নে পরিচালিত প্রকল্পে কোনো ধরনের দুর্নীতি সহ্য করা হবে না।
শুধু দুর্নীতি নয়—মানবাধিকার, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং সুশাসনের মতো ইস্যুতেও সোচ্চার আন্তর্জাতিক মহল। গত ৫ মে ঢাকায় যৌথ সংবাদ সম্মেলনে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিলারি ক্লিনটন উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, কোনো গণতান্ত্রিক সমাজে গুমের ঘটনা চলতে পারে না। তিনি ইলিয়াস আলীর গুম এবং শ্রমিক নেতা আমিনুল হত্যার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এর সুষ্ঠু তদন্ত দাবি করেন। কয়েক সপ্তাহ আগে মার্কিন রাষ্ট্রদূত হুশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, আমিনুল হত্যার ঘটনার ফলে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের তৈরি পোশাকের বাজার হুমকিতে পড়তে পারে।
কয়েক মাস আগে দক্ষিণ ও মধ্যএশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী ঢাকায় এক সংবাদ সম্মেলনে বলেছিলেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যমের ভূমিকা পালনের সুযোগ সঙ্কুচিত হয়ে পড়েছে। এটা খুবই উদ্বেগজনক বিষয়।
গত ৯ মে ঢাকায় আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি, ইতালিসহ ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৯টি দেশের রাষ্ট্রদূতরা বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতিতে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেছিলেন, আন্তর্জাতিক বিশ্বে ইমেজ সঙ্কটে পড়েছে বাংলাদেশ। পত্রিকা খুললেই দুর্নীতি, গুম, হত্যা ও সহিংসতার খবর চোখে পড়ে। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার কিছুই করছে না।
এছাড়া মার্কিন পররাষ্ট্র দফতর, অ্যামনেস্টি ইন্টারন্যাশনাল, হিউম্যান রাইটস ওয়াচসহ বিভিন্ন মানবাধিকার রিপোর্টে বিচার বিভাগকে রাজনীতিকীকরণ, গুম, বিচারবহির্ভূত হত্যা, গণমাধ্যমের ওপর হামলাসহ মানবাধিকার পরিস্থিতির ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরা হয়েছে। এ ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি একাধিকবার বলেছেন, মানবাধিকার প্রশ্নে জাতিসংঘ ছাড়া অন্য কারও বক্তব্য আমরা গ্রহণ করব না।
সম্প্রতি সাম্প্রদায়িক দাঙ্গায় উচ্ছেদ হওয়া রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দেয়ার জন্য জাতিসংঘ, যুক্তরাষ্ট্র, ব্রিটেনসহ পশ্চিমা দেশগুলো বারবার বাংলাদেশ সরকারের কাছে অনুরোধ জানায়। সেই অনুরোধ প্রত্যাখ্যান করে জাতীয় সংসদে দেয়া এক বিবৃতিতে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ডা. দীপু মনি বলেন, আমরা কারও অনুরোধ রাখতে বাধ্য নই।
গত ২৩ জুন জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী গুইডো ভেস্টারভেল ঢাকায় এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে ডা. দীপু মনির উপস্থিতিতে বাংলাদেশের মানবাধিকার পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন হত্যাকাণ্ড নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেন। পরেরদিন জার্মান দূতাবাসের চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্সকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব করে অত্যন্ত রূঢ় ভাষায় প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে সরকার।
এছাড়া গ্রামীণ ব্যাংক নিয়ে উদ্বেগ জানিয়ে হিলারি ক্লিনটন, মার্কিন কংগ্রেস ও সিনেট সদস্যসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে বারবার চিঠি দেয়া হচ্ছে। এসব চিঠিকে কোনো আমল না দিয়ে বরং গ্রামীণ ব্যাংকের কর্তৃত্ব নেয়ার জন্য অগ্রসর হচ্ছে সরকার।
সরকারের এই বেপরোয়া নীতির কারণে বাংলাদেশকে ভবিষ্যতে চড়ামূল্য দিতে হতে পারে।


Date: Wed, 4 Jul 2012 00:09:04 +0000
Subject: Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!

To avoid possible civil war in our beloved motherland , there must be a dialogue without any delay. Situation may go out of control.
Arrogancy of some leaders may affect the entire nation.SOB's are from both two major parties. After all who don't want Halua-Ruti ?
What about SOB's and cadres of ruling party. Chatukars like Manik's destroying  and misguiding the image of ruling party definitely.

---------- Original Message ----------
From: Shah Deeldar <>
To: Farida Majid <>,  "" <>
Subject: Re: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!
Date: Tue, 3 Jul 2012 11:15:29 -0700 (PDT)

Needless to say your words terrific and penetrating! I feel sad that having such SOBs as opposition cadres, we do not need any external enemies. They won't be able rule, nor they would let others to rule the country. A second civil war may be the only final solution for our chronic problem?
"All great truths begin as blasphemies." GBS

From: Farida Majid <>
Sent: Tuesday, July 3, 2012 1:39 PM
Subject: RE: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!

           Note the difference in the rate of growth during Military rule and during democratic rule in Bangladesh!    
জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি আজ সর্বজনীনতা পেয়েছে।' ড. কবীর বলের, 'বাংলাদেশের ৪০ বছরের মধ্যে ১৯ বছর সামরিক শাসন ছিল। সে সময়ে জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৩.২% । অপরদিকে গণতান্ত্রিক শাসন ছিল ২১ বছর। সে সময়ের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৬%।' তিনি বলেন, 'সামাজিক সূচকের পাশাপাশি অর্থনৈতি সূচকেও বাংলাদেশের অগ্রগতি সারাবিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে।' মোশারফ হোসেনের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী মো. আতাউর রহমান এবং স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মালেকও উপস্থিত ছিলেন। 

                      Yet the 'Bakshal bakshal bakshal' howling KHYANK-Shiyals  have the audacity to demand Army deployment at polling stations of peaceful elections.
          Here is the bottom line of their real face when they shamelessly decry democracy:
<<  Nations fate should not be depended on Chief Justice or Rubber Stamp Parliament. [A Parliament which they refuse to attend even after being elected, and after regularly collecting their remunerations]

People can't be fooled for long they have to accept the CTG. Bangladesh's case is different than other democracies in the World. That's why we have to take course differently. When entire administration is controlled by the ruling party how can we expect free and fair election from them ? >>

            Can you just imagine after the long history of people fighting and giving up their lives for democracy,  Bangladesh is being declared as being " different than other democracies in the World"!
                        Let us take action against these enemies of democracy!


Date: Tue, 3 Jul 2012 08:21:11 -0700
Subject: [mukto-mona] EMERGING BANGLADESH !!!!!!!


Enter your message here.
'ভারত-কম্বোডিয়া-শ্রীলংকাক পরাস্থ করে বাংলাদেশ এখন লড়ছে চীনের বিরুদ্ধে: নিউইয়র্কে বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর
নিউইয়র্ক,  ২ জুলাই ২০১২ (এনা):- বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্ণর ড. আতিউর রহমান নিউইয়র্কে এনআরবি বিজনেস নেটওয়ার্কের সমাবেশে বলেছেন, 'গত দেড় থেকে দুই দশকের মধ্যে যে সব দেশ উন্নয়ন করতে সক্ষম হয়েছে, সে ক্ষেত্রে ঐসব দেশের প্রবাসীদের ভূমিকা অবিস্মরণীয়। ভারতে এনআরআই (নন রেসিডেন্ট ইন্ডিয়ান) দিবস পালন করা হয়। প্রবাসী উদ্যোক্তাদের সাথে প্রায়ই ভারতের রাষ্ট্রপতি নৈশভোজে মিলিত হন।' 'এর ফলে ভারতের বর্তমান রিজার্ভ হচ্ছে ৩০০ বিলিয়ন ডলার'-উল্লেখ করেন ড. আতিউর। তিনি বলেন, 'আমরাও একই পথে হাঁটছি। সরকার বহুমুখী প্রয়াস নিয়েছে প্রবাসীদের উন্নয়ন কর্মকান্ডে সম্পৃক্ত করার লক্ষ্যে। ইউএস বন্ড ছাড়া হয়েছে-যার সুদের হার ৬.৫% এবং এটি পরিশোধ করা হচ্ছে ইউএস ডলারে। তাই কারো কোন দুশ্চিন্তার কারণ নেই বিনিয়োজিত এ অর্থ নিয়ে।' গভর্ণর বলেন, 'এনআরবি ব্যাংক প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। প্রতিটি ব্যাংকের প্রাথমিক মূলধন হবে ৪ শ' কোটি টাকা করে।'
আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশী পণ্যের দ্রুত প্রসার প্রসঙ্গে গভর্ণর বলেন, 'বাংলাদেশ এখন লড়ছে চীনের বিরুদ্ধে। ইতিমধ্যেই ভারত শ্রীলংকা এবং কম্বোডিয়াকে আমরা পরাজিত করতে সক্ষম হয়েছি। চীন থেকে গত বছর বেশ কয়েকটি শিল্প কারখানা বাংলাদেশে স্থানান্তরিত হয়েছে। চামড়াজাত এসব শিল্পকারখানা বার্ষিক দুই বিলিয়ন ডলারের পণ্য রফতানী করতে সক্ষম। টেক্সটাইল সেক্টরের কয়েকটি প্রতিষ্ঠানও চীন থেকে শীঘ্রই বাংলাদেশে আসছে।' গভর্ণর বলেন, 'এটি বলার অপেক্ষা রাখে না যে, চীনের চেয়ে বাংলাদেশে উৎপাদন খরচ ৩৩% কম এবং এ বিষয়টি এখন বিশ্ববাসীর অজানা নেই।' ড. আতিউর বলেন, 'ব্যবসা-বানিজ্যের ক্ষেত্রে আঞ্চলিক পর্যায়েও বাংলাদেশ বিশেষ একটি পর্যায়ে উপনীত হয়েছে। ইতিমধ্যেই উত্তর-পূর্ব ভারতে বাংলাদেশী ব্যবসায়ীরা একটি কারখানা স্থাপনে সক্ষম হয়েছেন।' গভর্ণর বলেন, 'সিলেটে ২টিসহ বাংলাদেশের কয়েকটি স্থানে আরো ৭টি স্পেশাল ইকনোমিক জোন প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এগুলো থেকে যে কোন সহায়তা প্রবাসীরাও পাবেন।'
বাংলাদেশের স্টান্ডার্ড ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান 'স্টান্ডার্ড এক্সপ্রেস'র সহায়তায় এনআরবি বিজনেস নেটওয়ার্কের এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয় ৩০ জুন দুপুরে নিউইয়র্ক সিটির উডসাইডে গুলশান টেরেস মিলনায়তনে। স্বাগত বক্তব্য দেন এনআরবি বিজনেস নেটওয়ার্কের পরিচালক হাসানুজ্জামান হাসান। অনুষ্ঠানে রুপালী ব্যাংকের চেয়ারম্যান ড. আহমেদ আল কবীর বাংলাদেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকান্ড উপস্থাপন করে বলেন, 'গায়ে কাপড় নেই-এমন কোন মানুষ এখন বাংলাদেশে দেখা যায় না। খাদ্যেও বাংলাদেশ স্বয়ংসম্পন্ন হয়েছে। বাংলাদেশে কোন কাজেই ঐক্য হয় না। তবে একটি বিষয়ে জাতীয় ঐক্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সেটি হচ্ছে শিক্ষা নীতি। জাতির উন্নয়নের মূল ভিত্তি আজ সর্বজনীনতা পেয়েছে।' ড. কবীর বলের, 'বাংলাদেশের ৪০ বছরের মধ্যে ১৯ বছর সামরিক শাসন ছিল। সে সময়ে জাতীয় প্রবৃদ্ধির হার ছিল মাত্র ৩.২% । অপরদিকে গণতান্ত্রিক শাসন ছিল ২১ বছর। সে সময়ের প্রবৃদ্ধির হার ৪.৬%।' তিনি বলেন, 'সামাজিক সূচকের পাশাপাশি অর্থনৈতি সূচকেও বাংলাদেশের অগ্রগতি সারাবিশ্বে প্রশংসিত হচ্ছে।' মোশারফ হোসেনের উপস্থাপনায় এ অনুষ্ঠানে সোনালী এক্সচেঞ্জের প্রধান নির্বাহী মো. আতাউর রহমান এবং স্ট্যান্ডার্ড এক্সপ্রেসের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ মালেকও উপস্থিত ছিলেন।


Refinance Now at 2.38%
$150,000 DYNAMICREGION mortgage $583mo. Fast & Easy Quotes! (3.23%APR)


Mukto Mona plans for a Grand Darwin Day Celebration: 
Call For Articles:




"I disapprove of what you say, but I will defend to the death your right to say it".
               -Beatrice Hall [pseudonym: S.G. Tallentyre], 190

Your email settings: Individual Email|Traditional
Change settings via the Web (Yahoo! ID required)
Change settings via email: Switch delivery to Daily Digest | Switch to Fully Featured
Visit Your Group | Yahoo! Groups Terms of Use | Unsubscribe